Tuesday, August 21, 2018

মা কালী

মা কালী!🙏
---------------
ওঁ করালবদনাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাম্ ।
কালিকাং দক্ষিণাং দিব্যাং মুন্ডমালাবিভূষিতাম্।।
সদ্যশ্ছিন্নশিরঃখড়্গবামাধোর্দ্ধকরাম্বুজাম্ ।
অভয়াং বরদাঞ্চৈব দক্ষিণোর্দ্ধাধঃপাণিকাম্।।
মহামেঘপ্রভাং শ্যামাং তথা চৈব দিগম্বরীম্ ।
কণ্ঠাবসক্তমুন্ডালীগলদ্রুধিরচর্চ্চিতাম্ ।
কর্নাবতংসতানীতশবযুগ্মভয়ানকাম্ ।।
ঘোরদ্রংষ্টাং করালাস্যাং পীনোন্নতপয়োধরাম্।
শবানাং  করসংঘাতৈঃ কৃতকাঞ্চীং হসন্মখীম্ ।।
সৃক্কদ্বয়গলদ্রক্তধারাবিস্ফুরিতাননাম্ ।।
ঘোররাবাং মহারৌদ্রীং শ্মশ্মানালয়বাসিনীম্ ।
বালার্কমণ্ডলাকারলোচনত্রিতয়ান্বিতাম্ ।।
দস্তুরাং দক্ষিণব্যাপি-মুক্তালম্বিকচোচ্চয়াং ।
শবরূপ-মহাদেবহৃদয়ো-পরিবংস্থিতাম্ ।।
শিবাভির্ঘোররাবাভিশ্চতুর্দিক্ষু সমন্বিতাম্ ।
মহাকালেন চ সমং বিপরীতরতাতুরাম ।।
সুখপ্রসন্নবদনাং স্মেরাননসরোরুহাম্ ।
এবং সঞ্চিন্তেয়ৎ কালীং সর্বকাম-সমৃদ্ধিদাম্ ।।

‪মন্ত্রের অনুবাদ-

দেবী দক্ষিণা কালী করালবদনা ভয়ঙ্করী, মুক্তকেশী ও চতুর্ভুজা,  তিনি দিব্য জ্যোতি সম্পূর্ণা, মুন্ডমালা ধারিণী । মায়ের বামদিকের নিচের হাতে সদ্যচ্ছিন্নিত  মুন্ড, উপরের বাম হাতে খড়গ । ডানদিকের উপরের হাত অভয় মুদ্রায় এবং নিচের হাত বরমুদ্রা ধারণ করে  আছেন । মায়ের  গায়ের রং কালো মেঘের প্রভার মত  শ্যামা ।  তিনি দিগম্বরী অর্থাৎ বস্ত্রহীনা ।  উনার গলার মুন্ডমালা গুলো থেকে বের হওয়া রক্ত উনার দেহ কে  রঞ্জিত করছে,  দুটি শবশিশু তার কর্ণভূষণ হওয়াতে দেবীকে ভয়ঙ্করী দেখাচ্ছে । তিনি তাঁর দাঁত দিয়ে নিজের জিহ্বাকে   কামড় দিয়ে আছেন,  তিনি কোমরে বেঁধে রেখেছেন হাতের মালা। তাঁর মুখে  মৃদুহাসি এবং উনার মুখ থেকে রক্তের ধারা বের হচ্ছে আর উনার মুখে অনন্ত কোটি সূর্যের তেজ বিদ্যমান । তিনি অতিশয় ক্রোদ্ধা, ভয়ংকর নাদকারিণী, উনার তিনটি চোখ আর সেই সকালের সূর্যের মত লালপ্রভাময় । উনার চারদিকে  চিৎকার করছে  শিয়ালের দল ।আমি সেই দেবীর ধ্যান করি যিনি শবরুপ মহাদেবের হৃদয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন ।  যার মুখ  সুখ-প্রসন্নতায় ভরা । যিনি মোক্ষদায়িনী  এবং সকল ইচ্ছাপূরণকারিণী.

দেবীর অঙ্গের তাৎপর্যঃ
 দেবীর মাথায় অর্দ্ধচন্দ্র তাঁহার মোক্ষ-প্রদান শক্তির পরিচায়ক।তাহা হইতে নিঃসৃত অমৃত সাধক কে  অমৃতত্ব বাঁ মোক্ষ প্রদান করিয়া থাকে। দেবী  মুক্তকেশী ।তাঁর মুক্তকেশ চির-বৈরাগ্যের প্রতীক। জ্ঞান-অসির আঘাতে তিনি অক্টপাশ ছেদনকারী মা চির বৈরাগ্যময়ী। তাই তাঁর কালো চুল বিস্তৃত।
দেবীর তিন চোখ তিনটি আলোর প্রতীক, চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নি। অন্ধকার বিধ্বংসী তিন শক্তির প্রকাশ। অজ্ঞতা, চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নি অজ্ঞানতারূপ অন্ধকার থেকে মুক্ত করে। তিনটি চোখে দেবী অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতকে প্রত্যক্ষ করেন। কারণ,এই শক্তিই হল সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয়ের কর্তা।  দেবীর কানে দুতি বালকের শব যার অর্থ নির্ব্বিকার, নিস্কাম,শিশু্ভাবাপন্ন সাধক মায়ের অতি প্রিয়। দেবী রক্তবর্ণের জিহ্বাকে সাদা দাঁত দিয়ে কামড়ে রেখেছেন। লাল রং  রজোগুণের প্রতীক, সাদা রং সত্ত্বগুণের প্রতীক। সাদা দাঁত দিয়ে লাল জিহবাকে চেপে রাখা। অর্থাৎ সত্ত্বগুণর দ্বারা রজোগুণকে দমন করে রাখা। রজোগুণ ভোগের গুন, ঈশ্বর বিমুখ করে। রজোগুণ দমনের জন্য এই প্রতীক। অনেক সময় আমরা কোন অন্যায় বা মিথ্যাচার করলে জিহ্বার কামড় দেই অর্থাৎ অন্যায় করার স্বীকৃতি।
 দেবীর গলায় পঞ্চাশটি মুন্ড দিয়ে মালা পরানো। পঞ্চাশটি মুন্ড পঞ্চাশটি অক্ষরের প্রতীক। ১৪ টি স্বরবর্ণ এবং ৩৬ টি ব্যঞ্জনবর্ণ, অক্ষর ব্রহ্ম, যার ক্ষয় নেই, শব্দ ব্রহ্ম, অক্ষরের দ্বারাই শব্দের উৎপত্তি হয়। এর অবস্থান মস্তকে। আমরা  মন্ত্রোচ্চারণের দ্বারা দেব বা দেবীর বন্দনা করি। এই মন্ত্রের অবস্থান মাথার  তালুতে সহস্রার পদ্মের মধ্যে। তাই অক্ষরের প্রতীক মুন্ড তাঁর গলায় হাত কর্মের প্রতীক। আমাদের সকল কর্মের ফলদাতা  তিনি । সকাম ভক্ত যারা তারা অতৃপ্ত কামনা নিয়ে দেহত্যাগ করে বলে পুনরায় মাতৃ জঠরস্থ হয়, হস্ত মেখলা প্রতীকে সকাম ভক্তের পুণর্জন্ম লাভ করার তত্ত্ব নিহিত।  
দেবীর চাইতে বড়তো কিছুই নেই। তাই তিনি কি পরিধান করবেন? বিশ্বব্যাপী শক্তির অবস্থান। শক্তিকে আবরিত করা যায়না। তিনি স্বয়ং প্রকাশ। তাই দেবী উলঙ্গ।দেবী কখন দক্ষিণ পদ কখন বাম্পদ, অগ্রে স্থাপন করেন ইহার অর্থ এক পদে অতীতকে অন্যপদে ভবিষ্যত কে অধিকার করিয়া আছেন।
কালো রং সকল বর্ণের অনুপস্থিত। তাই কালো। কখনো বা তিনি শ্যমা- শ্যামবর্ণা। কালো রং ভয়ের উদ্রেক করলেও শ্যাম রং কোমলতা জাগায়। স্নিগ্ধতা ও কমনীয়তা জাগায়। তাই মাতৃসাধক কালী শ্যামবর্ণা রূপেও দর্শন করেছেন।

মা কালী শবরূপী শিবের বুকে দন্ডায়মানা। শিব স্থির, কালী গতিময়ী। গতি ঠিক রাখতে হলে স্থিরের উপর তার প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। শিব শুভ্রবর্ণ, কালী কালো বর্ণ। সাধক কূটস্থ দর্শন কালে এই শুভ্র রং বেষ্ঠিত কালো রং সাধনায় দেখে থাকেন।

জয় মা কালী!!
হর হর মহাদেব
(শেয়ার করুন)

Monday, August 20, 2018

শ্রী কৃষ্ণ ছাড়াও সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী যারা বিশ্বরূপ দেখিয়েছেন

শ্রী কৃষ্ণ ছাড়াও সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী যারা বিশ্বরূপ দেখিয়েছেন...

>> দক্ষের কন্যা সতী জন্মের পরেই দক্ষকে বিশ্বরূপ দেখিয়েছিলেনঃ
(কূর্মপুরাণ, পূর্বভাগঃ ১২/৫২-৫৩,৫৮)

>> বৃহৎ সংহিতায় ইন্দ্রের বিশ্বরূপের বর্ণনা করা হয়েছেঃ
(বৃহৎ সংহিতাঃ ৪৩/৫৪-৫৫)

>> গণেশ রাজা বরেণ্যকে বিশ্বরূপ দেখিয়েছিলেনঃ
(গণেশ গীতাঃ ৮/৬-৭)

>> ব্রহ্মা চন্ডিকে স্তুতি করে বলছেনঃ
-হে দেবী, তুমিই সবকিছু ধারণ কর, তুমি জগৎ সৃষ্টি কর, তুমিই পালন কর, তুমিই প্রলকালে গ্রাস কর।
(চণ্ডীঃ ১/৬৮-৬৯)

- এই জগতে আমি একাই, আমি ছাড়া আর দ্বিতীয় কে আছে? এই দুষ্ট দেখো- আমার বিভূতি আমাতেই প্রবেশ করছে।
(চণ্ডী - ১০/৮)

>>বরাহ পুরাণে শিবের বিশ্বরূপ প্রদর্শিত হয়েছেঃ
- শিব এখানে প্রোদেশ প্রমাণমাত্র হয়েও শতশীর্ষ, শত উদর বিশিষ্, সহস্র বাহু, সহস্র পদ, সহস্র চক্ষু, সহস্র মস্তক ও সহস্র মুখ সমন্বিত। অণু থেকে ক্ষুদ্র হয়েও সর্ববৃহৎ।
(বরাহ পুরাণ - ১/৯/৬৮)

>> বায়ু পুরাণেও শিবের বিশ্বমূর্তি বর্ণিত হয়েছেঃ
- শিবের উৎপত্তি অব্যাক্ত, তার দেহ ব্যাক্ত অর্থাৎ প্রকাশিত। তার দেহের অন্তর্গতসমূহ কাল। অগ্নি তাঁর মুখ, চন্দ্র ও সূর্য তার নেত্রদ্বয়, দিকসমূহ তাঁর কর্ণ, বায়ু তার ঘ্রাণ, বেদ তার বাক্য, অন্তরীক্ষ শরীর, পৃথিবী পদদ্বয়, তারকাগণ রোমকূপ।
(বায়ু পুরাণঃ ১/৯/৬৮)

>> বামন পূরাণেও শিবের বিশ্বরূপ পাওয়া যায়ঃ
- তুমিই বিষ্ণু, তুমিই ব্রহ্মা, তুমিই মৃত্যু, তুমিই বরদ, তুমি সূর্য ও চন্দ্র, তুমি ভূমি, তুমি জল, তুমি যজ্ঞ, নিয়ম, তুমি অতীত, ভবিষ্যৎ, তুমি আদি ও অন্ত, তুমি সূক্ষ্ম ও স্থুল, তুমিই (বিরাট) পুরুষ।
(বামন পুরাণঃ ৫৪/৯৬-৯৯)

>> পদ্মপুরাণে ব্রহ্মার বিশ্বরূপের বর্ণনাঃ
- হে বিভু, আমি দেখছি তোমার অনেক মুখ, তুমি যজ্ঞের গতি, তুমি পুরাণ পুরুষ, তুমি ব্রহ্মা, ঈশ, জগৎসমূহের সৃষ্টিকর্তা। প্রপিতামহ, তোমাকে নমস্কার।
(পদ্মপুরাণ সৃষ্টি খণ্ডঃ ৩৪/১০০)

>> গণেশ গীতাতে গণেশকে ব্রহ্মস্বরূপ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। গণেশ নিজের স্বরূপ বর্ণনা করছেন এভাবে:
- হে রাজন। শিব, বিষ্ণু, শক্তি এবং সূর্যে যে ভেদবুদ্ধি সে আমারই সৃষ্টি, যেহেতু আমিই জগৎ সৃষ্টি করি, হে প্রিয়। আমিই মহা বিষ্ণু, আমিই সদাশিব, আমিই মহাশক্তি, আমিই অর্যমা।
(গণেশ গীতাঃ ১/২০-২২)

>> মহাভারতের মার্কেণ্ডেয়-কৃত কার্তিকেয় স্তবে কার্তিকেয়ে বিশ্বমূর্তিরূপে বন্দিত হয়েছেনঃ
- তুমি পদ্মপলাশলোচন, তুমি অরবিন্দতুল্যমুখ-বিশিষ্ট, তোমার সহস্র বদন,সহস্র বাহু, তুমি লোকপাল, শ্রেষ্ঠ হরি, সকল দেব ও অসুরগণের আবাধ্য।
( মহাভাঃ বনপর্বঃ ২৩১, অঃ৪৩)

>> লিঙ্গপুরাণ পূর্বভাগের ৩৬ তম অধ্যায়ে এরকম বর্ননা এসেছে। শ্রীবিষ্ণু ব্রাহ্মণবেশে দধীচি মুনির নিকট এসে বললেন - আমি আপনার নিকট বর প্রার্থনা করি আমাকে বর প্রদান করুন। দধীচি মুনি বললেন রুদ্রদেবের অনুগ্রহে ভূত ভবিষ্যত আমি জানি। আপনাকে আমি চিনিতে পারিয়াছি আপনি স্বরূপে ফিরে আসুন। আপনি কৃপা করে বলুন শিব আরাধনা পরায়ন ব্যক্তির কোন ভীতি থাকে? আমি কাহারও সমীপে ভয় পাই না। তখন বিষ্ণু ছদ্মবেশ ত্যাগ করে বললেন - হে বিপ্র আমি জানি তুমি কাহারো নিকট ভয় পাও না তবুও তুমি সভামধ্যে ক্ষুপভূপতিকে বলো আমি ভয় পাইতেছি। তখন মহামুনি বললেন আমি ভয় পাই না। তখন বিষ্ণু ক্ষুব্ধ হইয়া মহামুনিকে চক্র উত্তোলন করে মারতে উদ্যত হলেন। তখন মুনির সহিত ভয়ানক যুদ্ধ বাধলো। অতপর বিষ্ণু মুনির বিস্ময় সাধনার্থে বিশ্বমূর্তি ধারন করলেনঃ

- অনন্তর হরি মুনির বিস্ময় সাধনার্থে বিশ্বমূর্তি ধারন করলেন। মুনিবর ভগবান দধিচী নারায়ন শরীর মধ্যে পৃথক পৃথক দেবতা, কোটি কোটি রুদ্র এবং কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড অবলোকন করলেন।
(৫৮;৫৯)

অতঃপর দধীচি মুনি মুনি বললেন -
- হে মহাবাহো! বিচারপূর্বক প্রতিভা দ্বারা মায়া ত্যাগ করুন, হে মাধব! বিজ্ঞানসহস্র নিতান্ত দূর্বিজ্ঞেয়। হে অনিন্দিত! আমি তোমাকে দিব্যদৃষ্টি দান করিতেছি, তুমি আমার শরীর মধ্যে তোমা সহ সমস্ত জগৎ ব্রহ্মা, রুদ্র এই সকল অবলোকন করো। (৬২;৬৩)

শ্লোকগুলোতে দধীচি মুনি বিশ্বরূপ কে মায়ার সাথে তুলোনা করেছেন এমনকি তিনি নিজেও বিষ্ণুকে বিশ্বরূপ দেখিয়েছেন। অতঃএব বিশ্বরূপ প্রদর্শন একজন মুনির পক্ষেও সম্ভব।

Tuesday, July 10, 2018

পুরীতে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের প্রধান ৫৬ টি সহ ১০৮ টি ভোগ পদের বিবরণ

পুরীতে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের ছাপ্পান্ন ভোগের প্রধান ৫৬ টি সহ ১০৮ টি পদের বিবরণ:

১) জগন্নাথবল্লভ,২) কণিকা,৩) নুনফেনী,৪) ধনুশ্বরন,৫) ফেনা,৬) খড়ি কামড়া,৭) বড়পুরি,৮) বড়নাড়ী,৯) সান নাড়ী,১০) চন্দ্রকান্তি,১১)হংসকেলি,১২) কাকরা,১৩) সান ঝিলি,১৪) পনশুয়া,১৫) বড়ঝিলি,১৬) বড়া,১৭) আরিষা,১৮) মরিচলাড্ডু,১৯) পাগ আরিষা,২০) কাকাতুয়া ঝিনি,২১) তিপুরী,২২) খিরিষা,২৩) অরখফুল,২৪) গজা,২৫) মেনঢাশিঙ্গিয়া,২৬) সরকুম্পা,২৭) চউতাপুরি,২৮) সরুচ কুলি,২৯) নিমকি,৩০) মগজনাড়ু,৩১) খজা,৩২) ডালিম্ব,৩৩) পারিজাতক,৩৪) সরমন্ডা,৩৫) সরভাজা,৩৬) খোয়ামণ্ডা,৩৭) মাণ্ডুয়া,৩৮) অমৃত রসাবলী,৩৯) অমালু, ৪০) বল্লভকোরা,৪১) চড়েইনদা,৪২) সুয়ারি,৪৩) বড় খিরিয়া,৪৪) ছানা মান্ডুয়া, ৪৫) নারিকেল লাড্ডু,৪৬) কড়ম্বা,৪৭)সাতপুরি,৪৮) মাথপুলি,৪৯) ছানাপিঠা,৫০) হংস বল্লভ,৫১) সেবতি ঝিলি,৫২) সর,৫৩) এন্ডুরী,৫৪) সরপাপুড়ি, ৫৫) নড়িয়াখুদি,৫৬) খণ্ড মণ্ডা,৫৭) মহাদেঈ,৫৮) বুঁদিয়াখিরি,৫৯) পিঠাপুলি, ৬০) শ্রীহস্তকোরা,৬১) জেনামণি,৬২) গুড়াখিরিয়া,৬৩) মোহনভোগ,৬৪) সরকাকরা,৬৫) নুনখুরমা,৬৬) কঁলপুলি,৬৭) খইরচুর,৬৮) লক্ষ্মীবিলাস,৬৯) অটকালি, ৭০) বলিবামন,৭১) ছানাচটকা,৭২) চুলিয়া চুপড়া,৭৩) শেউ,৭৪) চুঁচিপত্র,৭৫) চিউতপিঠা,৭৬) পোড়া পিঠা,৭৭) মাখন,৭৮) অতরছমন্ডা,৭৯) সরপণা,৮০) গঁইঠা পিঠা,৮১) ফেনা মণ্ডা,৮২) মালপোয়া,৮৩) খলিরুটি,৮৪)রাধাবল্লভী, ৮৫) সরু অন্ন,৮৬) খেচরান্ন,৮৭) অন্ন,৮৮) কর্মা বাই খিচুড়ি,৮৯) সোনাথালি খিচুড়ি,৯০) নুখুরা খিচুড়ি,৯১) বগড়া অন্ন,৯২) দধি পখাল,৯৩) টভা পখাল,৯৪) সুবাস পখাল,৯৫) মরিচপানি,৯৬) মহুর,৯৭) বেসর,৯৮) রাঈতা,৯৯) শাকর,১০০) শান্তুলা,১০১) কদল বড়া,১০২) রহনি,১০৩) খটেই,১০৪) কাঞ্জী,১০৫) ভজা,১০৬) দই কড়ি,১০৭) কণীকা (পুস্পান্ন),এবং ১০৮) পরমান্ন… ইত্যাদি।

(এখানে কিছু কথা জানিয়ে রাখা দরকার, জগন্নাথ দেবের ভোগে কিছু দ্রব্য ও বস্তুকে নিষিদ্ধ করা আছে, যেমন ১) সিদ্ধ চাল,২) গোল আলু,৩) পেঁয়াজ,৪) রসুন,৫) সাদা লবন, ৬) কলে পেষা আটা, ৭) ভিন্ডি / ঢেড়স,৮) চিনি,৯) ডাঁটা,১০) লাউ,১১) কপি,১২) পুই শাক,১৩) উচ্ছে,১৪) সজনে ডাঁটা,১৫) লঙ্কা … ইত্যাদি।
প্রতিদিন হাজার হাজার এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে লাখ লাখ ভক্ত বিশেষ করে দরিদ্র,অসহায়,নিরন্ন মানুষের মুখে এক মুঠো অন্ন তুলে দেবার এই অসামান্য কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা হচ্ছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে প্রায় দুই হাজার বছর ধরে।

Sunday, June 3, 2018

পর জন্মে মানুষ কী হয়ে জন্মাবে

হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, এই জন্মের পাপই নির্ধারণ করে দেয় পরের জন্মে মানুষ কী হয়ে জন্মাবে। মানুষ যতই চেষ্টা করুক না কেন পুরো কর্মফল কখনোই বর্তমান জন্মে ভোগ করা যায় না। ভালো-খারাপ দুই ধরনের কাজেরই ফলাফল মেলে পরের জন্মে। শুধু তাই নয়, বর্তমান জন্মও প্রভাবিত হয় পূর্বজন্মের কৃতকর্ম দিয়ে। অর্থাৎ পরবর্তী জন্মের আগেই, পূর্বজন্মের কর্মফল অনুযায়ী ঠিক হয়ে যায়, পরের জন্মে কোন অবতারে জন্মগ্রহণ করবে একজন মানুষ।
বহু প্রাচীন গ্রন্থমতে, একটি মানব জন্ম পেতে গেলে তার আগে ৮৪ হাজার বার মানুষকে জন্মাতে হয়। এককোষী প্রাণী থেকে শুরু করে প্রায় পৃথিবীর যাবতীয় জীবজন্তুর রূপে জীবন কাটিয়ে তবেই পাওয়া যায় মানবজীবন।
এই নিয়ে বিস্তারিত বলে গেছেন মহর্ষি বেদব্যাস এবং অন্যান্য ঋষিরা। এমন বেশ কিছু পাপের পরজন্মের ফল উল্লিখিত রয়েছে হিন্দু পুরাণে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হলো........

১) খুনের জন্য অত্যন্ত কড়া শাস্তির বিধান দেয়া রয়েছে। এই কাজ করলে পরের জন্মে গাধা হয়ে জন্মাতে হবে। দিনরাত মালিকের অত্যাচার এবং অতিরিক্ত বোঝা বহন করাই হবে তার কৃতকর্মের ফল।

২) কোনো পুরুষ যদি ধর্ষণ করে তবে পরের প্রথম জন্মে তিনি হবেন নেকড়ে, দ্বিতীয় জন্মে শেয়াল, তৃতীয় জন্মে শকুন, চতুর্থ জন্মে সাপ এবং পঞ্চম জন্মে সারস।  

৩) সোনা চুরি করা পুরাণ মতে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এমন কাজ যে করবে তাকে পরের জন্মে পোকা হয়ে জন্মাতে হবে। পাশাপাশি, যদি কেউ রুপা চুরি করে, তাকে পরের জন্মে পায়রা হয়ে জন্মাতে হবে।

৪) কারো পোশাক চুরি করা বা কারো শরীর থেকে পোশাক টেনে নেয়ার মতো ঘৃন্য কাজ করলে সেই ব্যক্তিকে পরের জন্মে টিয়াপাখি হয়ে সারাজীবন খাঁচাবন্দি অবস্থায় কাটাতে হবে।

৫) যিনি পরিবারের বা পরিবারের বাইরের বায়োজ্যেষ্ঠ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং সর্বসমক্ষে অপমান করেন তাকে পরের জন্মে কাক হয়ে জন্মাতে হবে এবং কাকরূপে তাকে অন্তত ১০ বছর থাকতে হবে।

সুদর্শন চক্র

💜💜ওঁ নমঃ শিবায়💜💜
     সুদর্শন চক্র
কিভাবে ভগবান বিষ্ণু সুদর্শন চক্রটি পেয়েছিলেন?
ভগবান বিষ্ণুর শক্তিশালী অস্ত্র গুলির মধ্যে - একটি অন্যতম অস্ত্র হলো- সুদর্শন চক্র। সুদর্শন চক্রটি একটি নিরন্তর গুণমান চাকতি বা ডিস্কের মতো দেখতে একটি অস্ত্র। যার চারিদিকে ১০৮ টি আলাদা আলাদা ধারালো প্রান্ত থাকে। যা দেহের সংস্পর্শে আসা মাত্রই- নিমিষের মধ্যেই সেই অংশটি কেটে আলাদা হয়ে যায়। যার ক্ষমতা অপরিসীম। সুদর্শন চক্রটি এমন একটি অন্যতম অস্ত্র - যা ভগবান বিষ্ণু তাঁর মন দ্বারা পরিচালনা করে থাকেন। সাধারণতঃ হিন্দুধর্মের সমস্ত চিত্রগুলিতে সুদর্শন চক্রটি - ভগবান বিষ্ণুর চার হস্তের মধ্যে পিছনের দিকের ডান হস্তে দেখা যায়।
         তাহলে চলুন- জেনে নেয়, কিভাবে ভগবান বিষ্ণু এই সুদর্শন চক্রটি পেয়েছিলেন?
        শিব পুরাণে- বর্ণিত প্রথম থেকে জানা যায়- বহু পূর্বে এক সময় অসুর ও রাক্ষসরা স্বর্গ দখল করে- দেবতাদের উপর, পৃথিবী লোকে মানব জাতির উপর চরম অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছিল। বারংবার দেবলোকে অসুরদের আক্রমন ঘটায়- দেবতারা নিরিপায় হয়ে ভগবান বিষ্ণুর শরণাপন্ন হয়েছিলেন। দেবতারা ভগবান বিষ্ণুর কাছে দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু সেই সময় ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রবল ক্ষমতাশালী অস্ত্র না থাকায় তিনি দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করতে সক্ষম হননি। এবং অসহায় হয়ে সাহায্যের আশায় ভগবান শিবের কাছে উপস্থিত হয়েছিলেন
              ভগবান বিষ্ণু- ভগবান শিবজীকে প্রসন্ন করার  উদ্দেশ্যে ঘোর তপস্যা করা শুরু করেন ও তিনি বছরের পর বছর সহস্র বছর ধরে তপস্যা করেছিলেন। কিন্তু তখনো ভগবান শিবজী ধ্যান মগ্ন থাকায়- ভগবান বিষ্ণু,  ভগবান শিবজীকে প্রসন্ন করারজন্য সহস্র পুষ্প বা একহাজার কমল পুষ্প দিয়ে এক হাজারবার শিবনাম জপ করার সংকল্প করেছিলেন। যখন ভগবান বিষ্ণু একহাজার কমলপুষ্প দিয়ে শিবনাম জপ করছিনেল- তখন তাঁর পুষ্প ভান্ডারে- ৯৯৯ টি পুষ্প ছিল। তাতে একটি কমল পুষ্প কম থাকায়,  শিব সহস্র নাম অসম্পূর্ণ হবার আশংকা উৎপন্ন হয়। তখন ভগবান বিষ্ণু ঐ একটি কমলের পরিবর্তে তাঁর নিজের নীল কমল সমান চক্ষু - ভগবান শিবকে অর্পন করেছিলেন। ও তাঁর সহস্র শিব নাম পুরণ করেছিলেন।
              তখন ভগবান বিষ্ণুর এরূপ ভক্তি ও শ্রদ্ধায় মুগ্ধ হয়ে ভগবান শিবজী প্রকট হয়েছিলেন। বিষ্ণু তখন একটি অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র গর্দান স্বরূপ প্রার্থনা করেছিলেন। ভগবান শিবজী - তাঁকে চিরন্তন গুণমান মহাশক্তিশালী সুদর্শন চক্রটি দিয়েছিলেন। যা সমস্ত শত্রুকে পরাস্ত করে দেবে। রাক্ষস বা দেবতা সবাইকে পরাজিত করে দেবে। সুদর্শন চক্রটি পাবার পর -ভগবান বিষ্ণু দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করে দিলেন। এবং বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে শান্তি ফিরিয়ে- ধর্মের স্থাপনা করেছিলেন।
             শিব পুরাণ অনুযায়ী-  সুদর্শন চক্রটি বিশ্বকর্মা সূর্য্যের শক্তি দিয়ে তৈরী করেছিলেন। যা ভগবান শিবজী - ভগবান বিষ্ণুকে উপহার স্বরূপ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু সুদর্শন চক্রটি ভীষন শক্তিশালী ছিল যা ভগবান বিষ্ণু একাকি পরিচালনা করতে সক্ষম নন। তাই ভগবান শিবজী, সুদর্শন চক্রটিকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিলেন।
         একটি সুদর্শন চক্র,  তিনি ভগবান বিষ্ণুকে প্রদান করেছিলেন। দ্বিতীয়টি তিনি- মাতা আদি শক্তিকে প্রদান করেছিলেন। এবং তৃতীয়টি পরশুরাম ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার - ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে - পূণরায় ধর্ম স্থাপনার উদ্দেশ্যে প্রদান করেছিলেন।

Friday, June 1, 2018

প্রদীপ জ্বালানোর

আমাদের নিত্য পুজোর শেষে কম-বেশি সবাই আমরা প্রদীপ জ্বালিয়ে থাকি। বিশ্বাস করা হয় যে প্রদীপ না জ্বালিয়ে কোনও পুজোই শেষ হয় না। কিন্তু একথা কি জানা আছে যে বিশেষ কিছু দেব-দেবীর সামনে নিয়মিত সকাল-বিকাল প্রদীপ জ্বালালে এ জীবনে যে যে সমস্যার কথা আমরা জানি বা শুনে এসেছি, তার কোনওটাই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। শুধু তাই নয়, জীবন পথে চলতে চলতে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা যে কোনও বাধা সরে যেতেও সময় লাগে না।
হিন্দু শাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে বেশ কিছু দেব-দেবী আছেন, যারা প্রদীপের আলো বেজায় পছন্দ করেন, তাই তো তাঁদের আরাধনা করার পর যদি প্রদীপ জ্বালানো হয়, তাহলে দারুন সব উপকার মেলে।

১.)  প্রতিদিন সূর্য দেবতার সামনে প্রদীপ জ্বালালে সূর্যদেব এতটাই প্রসন্ন হন যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।  রবিবার হল সূর্য দেবের দিন। তাই এদিন সাকাল সকাল উঠে স্নান সেরে যদি সূর্যদেবকে জল দান করতে পারেন, তাহলে আরও অনেক উপকার মেলে।

২.) একথা তো সবাই জানেন যে প্রতি সোমবার দেবাদিদেবকে দুধ দিয়ে স্নান করালে মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়া যায়।  প্রতিদিন রাধা-কৃষ্ণের সামনে প্রদীপ জ্বালালে মনের মতো লাইফ পার্টনার তো মেলেই, সেই সঙ্গে বৈবাহিক জীবনে কোনও সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হল রাধা-কৃষ্ণের ছবির সামনে ভুলেও সকালবেলা প্রদীপ জ্বালাবেন না যেন! এক্ষেত্রে দিয়া জ্বালাতে হবে সন্ধ্যাবেলায়। কারণ এমনটা করলে তবেই কিন্তু উপকার মেলে।

৩.   পঞ্চমুখি হনুমানজির ছবি বা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালালে খারাপ স্বপ্ন আসার আশঙ্কা হ্রাস পাবে। সেই সঙ্গে মনের লুকিয়ে থাকা ভয় দূর হবে এবং বাড়ীর মধ্যে খারাপ শক্তির আগমণ ঘটার সম্ভাবনাও যাবে কমে। ফলে কোনও ধরনের খারাপ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আর থাকবে না।

৪.) শত চেষ্টা করেও কি টাকা জমাতে পারছেন না? এদিকে প্রতিদিন যেন খরচের মাত্রা বেড়েই চলেছে? তাহলে বন্ধু উত্তর দিকে ধন দেবতা কুবেরের ছবি বা মূর্তি রেখে প্রতিদিন কুবের দেবের সামনে প্রদীপ জ্বালানো শুরু করুন। দেখবেন অর্থনৈতিক সমস্যা মিটে যাবে।

৫.) অল্প সময়ে কর্মক্ষেত্রে চরম উন্নতি লাভ করতে যদি চান, তাহলে বাড়ির ঠাকুর ঘরে রাখা গণেশ দেবের সামনে অফিস বেরনোর আগে প্রদীপ জ্বালানো শুরু করুন। দেখবেন মনের ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগবে না। প্রসঙ্গত, গণেশ দেব হলেন সমৃদ্ধির দেবতা। তাই তো প্রতিদিন বাপ্পার সামনে দিয়া জ্বালালে দেব বেজায় প্রসন্ন হন। ফলে পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগতে সময় লাগে না।

৬.) রাম,লক্ষণ, সীতা এবং হনুমানজি একসঙ্গে রয়েছেন এমন ছবির সামনে প্রতিদিন প্রদীপ জ্বালালে বাড়ীর মধ্যে উপস্থিত খারাপ শক্তি দূরে পালায়। ফলে পরিবারের মধ্যে কোনও কলহ বা বিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যেমন হ্রাস পায়, তেমনি ভাইয়-ভাই এ হওয়া বিবাদ বা ঝগড়া মিটে যেতেও সময় লাগে না।

প্রসঙ্গত, দেব-দেবীদের সামনে প্রদীপ জ্বালানোর সময় কতগুলি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। কারণ এই নিয়মগুলি না মানলে কিন্তু কোনও সুফলই পাওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল........

ক) প্রদীপ জ্বালানোর সময় কম করে দুটো এবং সর্বচ্চ তিনটি সোলতে জ্বালানো উচিত। কারণ এমনটা করলে দূর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতী দেবীর আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব হয়।

খ) খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই প্রদীপ জ্বালানোর সময় হাতে লাগা তেল হয় পরে থাকা জামায় মুছে ফেলেন, নয়তো চুলে লাগিয়ে নেন। কিন্তু এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়। কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে দিনের পর দিন এমনটা করলে মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই যদি এমন ঘটনা এড়িয়ে চলতে চান, তাহলে ঠাকুর ঘরে হাত মোছার একটা পরিচ্ছন্ন কাপড় রাখতে ভুলবেন না যেন।

গ) প্রদীপ জ্বালানোর সময় কী ধরনের তেল ব্যবহার করা উচিত জানা আছে? বিশেষজ্ঞদের মতে দেবতাদের সামনে দিয়া জ্বালানোর সময় হয় সরষের তেল অথবা ঘি ব্যবহার করা উচিত। কারণ এমনটা করলে পরিবারে সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে। সেই সঙ্গে বাড়ীতে সুখ-শান্তির পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।