💜💜ওঁ নমঃ শিবায়💜💜
সুদর্শন চক্র
কিভাবে ভগবান বিষ্ণু সুদর্শন চক্রটি পেয়েছিলেন?
ভগবান বিষ্ণুর শক্তিশালী অস্ত্র গুলির মধ্যে - একটি অন্যতম অস্ত্র হলো- সুদর্শন চক্র। সুদর্শন চক্রটি একটি নিরন্তর গুণমান চাকতি বা ডিস্কের মতো দেখতে একটি অস্ত্র। যার চারিদিকে ১০৮ টি আলাদা আলাদা ধারালো প্রান্ত থাকে। যা দেহের সংস্পর্শে আসা মাত্রই- নিমিষের মধ্যেই সেই অংশটি কেটে আলাদা হয়ে যায়। যার ক্ষমতা অপরিসীম। সুদর্শন চক্রটি এমন একটি অন্যতম অস্ত্র - যা ভগবান বিষ্ণু তাঁর মন দ্বারা পরিচালনা করে থাকেন। সাধারণতঃ হিন্দুধর্মের সমস্ত চিত্রগুলিতে সুদর্শন চক্রটি - ভগবান বিষ্ণুর চার হস্তের মধ্যে পিছনের দিকের ডান হস্তে দেখা যায়।
তাহলে চলুন- জেনে নেয়, কিভাবে ভগবান বিষ্ণু এই সুদর্শন চক্রটি পেয়েছিলেন?
শিব পুরাণে- বর্ণিত প্রথম থেকে জানা যায়- বহু পূর্বে এক সময় অসুর ও রাক্ষসরা স্বর্গ দখল করে- দেবতাদের উপর, পৃথিবী লোকে মানব জাতির উপর চরম অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছিল। বারংবার দেবলোকে অসুরদের আক্রমন ঘটায়- দেবতারা নিরিপায় হয়ে ভগবান বিষ্ণুর শরণাপন্ন হয়েছিলেন। দেবতারা ভগবান বিষ্ণুর কাছে দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু সেই সময় ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রবল ক্ষমতাশালী অস্ত্র না থাকায় তিনি দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করতে সক্ষম হননি। এবং অসহায় হয়ে সাহায্যের আশায় ভগবান শিবের কাছে উপস্থিত হয়েছিলেন
ভগবান বিষ্ণু- ভগবান শিবজীকে প্রসন্ন করার উদ্দেশ্যে ঘোর তপস্যা করা শুরু করেন ও তিনি বছরের পর বছর সহস্র বছর ধরে তপস্যা করেছিলেন। কিন্তু তখনো ভগবান শিবজী ধ্যান মগ্ন থাকায়- ভগবান বিষ্ণু, ভগবান শিবজীকে প্রসন্ন করারজন্য সহস্র পুষ্প বা একহাজার কমল পুষ্প দিয়ে এক হাজারবার শিবনাম জপ করার সংকল্প করেছিলেন। যখন ভগবান বিষ্ণু একহাজার কমলপুষ্প দিয়ে শিবনাম জপ করছিনেল- তখন তাঁর পুষ্প ভান্ডারে- ৯৯৯ টি পুষ্প ছিল। তাতে একটি কমল পুষ্প কম থাকায়, শিব সহস্র নাম অসম্পূর্ণ হবার আশংকা উৎপন্ন হয়। তখন ভগবান বিষ্ণু ঐ একটি কমলের পরিবর্তে তাঁর নিজের নীল কমল সমান চক্ষু - ভগবান শিবকে অর্পন করেছিলেন। ও তাঁর সহস্র শিব নাম পুরণ করেছিলেন।
তখন ভগবান বিষ্ণুর এরূপ ভক্তি ও শ্রদ্ধায় মুগ্ধ হয়ে ভগবান শিবজী প্রকট হয়েছিলেন। বিষ্ণু তখন একটি অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র গর্দান স্বরূপ প্রার্থনা করেছিলেন। ভগবান শিবজী - তাঁকে চিরন্তন গুণমান মহাশক্তিশালী সুদর্শন চক্রটি দিয়েছিলেন। যা সমস্ত শত্রুকে পরাস্ত করে দেবে। রাক্ষস বা দেবতা সবাইকে পরাজিত করে দেবে। সুদর্শন চক্রটি পাবার পর -ভগবান বিষ্ণু দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করে দিলেন। এবং বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে শান্তি ফিরিয়ে- ধর্মের স্থাপনা করেছিলেন।
শিব পুরাণ অনুযায়ী- সুদর্শন চক্রটি বিশ্বকর্মা সূর্য্যের শক্তি দিয়ে তৈরী করেছিলেন। যা ভগবান শিবজী - ভগবান বিষ্ণুকে উপহার স্বরূপ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু সুদর্শন চক্রটি ভীষন শক্তিশালী ছিল যা ভগবান বিষ্ণু একাকি পরিচালনা করতে সক্ষম নন। তাই ভগবান শিবজী, সুদর্শন চক্রটিকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিলেন।
একটি সুদর্শন চক্র, তিনি ভগবান বিষ্ণুকে প্রদান করেছিলেন। দ্বিতীয়টি তিনি- মাতা আদি শক্তিকে প্রদান করেছিলেন। এবং তৃতীয়টি পরশুরাম ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার - ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে - পূণরায় ধর্ম স্থাপনার উদ্দেশ্যে প্রদান করেছিলেন।
সুদর্শন চক্র
কিভাবে ভগবান বিষ্ণু সুদর্শন চক্রটি পেয়েছিলেন?
ভগবান বিষ্ণুর শক্তিশালী অস্ত্র গুলির মধ্যে - একটি অন্যতম অস্ত্র হলো- সুদর্শন চক্র। সুদর্শন চক্রটি একটি নিরন্তর গুণমান চাকতি বা ডিস্কের মতো দেখতে একটি অস্ত্র। যার চারিদিকে ১০৮ টি আলাদা আলাদা ধারালো প্রান্ত থাকে। যা দেহের সংস্পর্শে আসা মাত্রই- নিমিষের মধ্যেই সেই অংশটি কেটে আলাদা হয়ে যায়। যার ক্ষমতা অপরিসীম। সুদর্শন চক্রটি এমন একটি অন্যতম অস্ত্র - যা ভগবান বিষ্ণু তাঁর মন দ্বারা পরিচালনা করে থাকেন। সাধারণতঃ হিন্দুধর্মের সমস্ত চিত্রগুলিতে সুদর্শন চক্রটি - ভগবান বিষ্ণুর চার হস্তের মধ্যে পিছনের দিকের ডান হস্তে দেখা যায়।
তাহলে চলুন- জেনে নেয়, কিভাবে ভগবান বিষ্ণু এই সুদর্শন চক্রটি পেয়েছিলেন?
শিব পুরাণে- বর্ণিত প্রথম থেকে জানা যায়- বহু পূর্বে এক সময় অসুর ও রাক্ষসরা স্বর্গ দখল করে- দেবতাদের উপর, পৃথিবী লোকে মানব জাতির উপর চরম অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছিল। বারংবার দেবলোকে অসুরদের আক্রমন ঘটায়- দেবতারা নিরিপায় হয়ে ভগবান বিষ্ণুর শরণাপন্ন হয়েছিলেন। দেবতারা ভগবান বিষ্ণুর কাছে দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু সেই সময় ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রবল ক্ষমতাশালী অস্ত্র না থাকায় তিনি দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করতে সক্ষম হননি। এবং অসহায় হয়ে সাহায্যের আশায় ভগবান শিবের কাছে উপস্থিত হয়েছিলেন
ভগবান বিষ্ণু- ভগবান শিবজীকে প্রসন্ন করার উদ্দেশ্যে ঘোর তপস্যা করা শুরু করেন ও তিনি বছরের পর বছর সহস্র বছর ধরে তপস্যা করেছিলেন। কিন্তু তখনো ভগবান শিবজী ধ্যান মগ্ন থাকায়- ভগবান বিষ্ণু, ভগবান শিবজীকে প্রসন্ন করারজন্য সহস্র পুষ্প বা একহাজার কমল পুষ্প দিয়ে এক হাজারবার শিবনাম জপ করার সংকল্প করেছিলেন। যখন ভগবান বিষ্ণু একহাজার কমলপুষ্প দিয়ে শিবনাম জপ করছিনেল- তখন তাঁর পুষ্প ভান্ডারে- ৯৯৯ টি পুষ্প ছিল। তাতে একটি কমল পুষ্প কম থাকায়, শিব সহস্র নাম অসম্পূর্ণ হবার আশংকা উৎপন্ন হয়। তখন ভগবান বিষ্ণু ঐ একটি কমলের পরিবর্তে তাঁর নিজের নীল কমল সমান চক্ষু - ভগবান শিবকে অর্পন করেছিলেন। ও তাঁর সহস্র শিব নাম পুরণ করেছিলেন।
তখন ভগবান বিষ্ণুর এরূপ ভক্তি ও শ্রদ্ধায় মুগ্ধ হয়ে ভগবান শিবজী প্রকট হয়েছিলেন। বিষ্ণু তখন একটি অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র গর্দান স্বরূপ প্রার্থনা করেছিলেন। ভগবান শিবজী - তাঁকে চিরন্তন গুণমান মহাশক্তিশালী সুদর্শন চক্রটি দিয়েছিলেন। যা সমস্ত শত্রুকে পরাস্ত করে দেবে। রাক্ষস বা দেবতা সবাইকে পরাজিত করে দেবে। সুদর্শন চক্রটি পাবার পর -ভগবান বিষ্ণু দৈত্য ও রাক্ষসদের বিনাশ করে দিলেন। এবং বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে শান্তি ফিরিয়ে- ধর্মের স্থাপনা করেছিলেন।
শিব পুরাণ অনুযায়ী- সুদর্শন চক্রটি বিশ্বকর্মা সূর্য্যের শক্তি দিয়ে তৈরী করেছিলেন। যা ভগবান শিবজী - ভগবান বিষ্ণুকে উপহার স্বরূপ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু সুদর্শন চক্রটি ভীষন শক্তিশালী ছিল যা ভগবান বিষ্ণু একাকি পরিচালনা করতে সক্ষম নন। তাই ভগবান শিবজী, সুদর্শন চক্রটিকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিলেন।
একটি সুদর্শন চক্র, তিনি ভগবান বিষ্ণুকে প্রদান করেছিলেন। দ্বিতীয়টি তিনি- মাতা আদি শক্তিকে প্রদান করেছিলেন। এবং তৃতীয়টি পরশুরাম ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার - ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে - পূণরায় ধর্ম স্থাপনার উদ্দেশ্যে প্রদান করেছিলেন।
No comments:
Post a Comment